নিজস্ব প্রতিবেদক
ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় শুক্রবার ভোরে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ফজরের নামাজের সময় হঠাৎ এই কম্পনে কেঁপে ওঠে পুরো দ্বীপ। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরবেলা হঠাৎ কম্পন শুরু হলে উপজেলার বিভিন্ন ঘরবাড়ি, সরকারি ভবন, হাসপাতাল ও ধর্মীয় উপাসনালয়সহ দালানকোঠা কাঁপতে থাকে। মনপুরা উপজেলার ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি ও দারুস সুন্নাহ ফজলুল উলুম কওমী মাদ্রাসার মোহতামীম মাওলানা এনায়েত উল্লাহ নুরনবী জানান, ফজরের নামাজের সময় মসজিদের ভেতরে তীব্র কম্পন অনুভূত হয়।
একই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন হাজিরহাট মার্কাজ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মো. ইউসুফ। তিনি বলেন, নামাজের জামাত চলাকালীন পুরো মসজিদ কেঁপে ওঠে। এছাড়া মাদ্রাসা রোডের বাসিন্দা আয়শা ছিদ্দিকা বিথী ও মোস্তাফিজসহ বেশ কয়েকজন সংবাদমাধ্যমকে জানান, কম্পনের ফলে ঘরবাড়ির আসবাবপত্র নড়ে ওঠে এবং পুকুরের পানি দুলতে দেখা যায়।
প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, ভারতের মণিপুর ও আসাম অঞ্চলে সৃষ্ট ভূমিকম্পের প্রভাবে বাংলাদেশের এই উপকূলীয় এলাকাটি কেঁপে ওঠে। স্থানীয় সাংবাদিক সজিব মোল্লা ও মো. রাকিব জানান, হঠাৎ এই কম্পনে মানুষের মধ্যে ভীতি তৈরি হলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোথাও কোনো হতাহত বা ভবন ধসের ঘটনা ঘটেনি।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের মে মাসেও ভারতের মণিপুরে সৃষ্ট ৩.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে মনপুরাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে কম্পন অনুভূত হয়েছিল।
