মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে জুলাই ঐক্যের মুখ্য সংগঠক মোসাদ্দেক ইবনে মোহাম্মদ দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
দুই দিনের বিক্ষোভ কর্মসূচি
মোসাদ্দেক ইবনে মোহাম্মদ বলেন, "খুনি হাসিনার ফাঁসি এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী বুধবার ও বৃহস্পতিবার (১২ ও ১৩ নভেম্বর) ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেটে আমাদের অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।"
জুলাই সনদের ভিত্তিতে নির্বাচনের দাবি
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা 'জুলাই সনদ' নিয়ে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন। তাদের প্রধান দাবি হলো, আসন্ন নির্বাচনটি অবশ্যই জুলাই সনদের ভিত্তিতে আয়োজন করতে হবে। তারা হুঁশিয়ারি দেন যে, ১৯৭২ সালের সংবিধানের আলোকে ছাত্র ও সাধারণ মানুষ জুলাই সনদের শর্ত ছাড়া অন্য কোনো নির্বাচন মেনে নেবে না। জুলাই সনদকে ব্যর্থ করার যেকোনো চেষ্টা জনগণ কখনোই সহ্য করবে না বলেও তারা মন্তব্য করেন।
পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে মন্তব্য
বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণার পাশাপাশি জুলাই ঐক্য সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির পরিবর্তন এবং ভারতকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার বিষয়েও তাদের অবস্থান তুলে ধরে।
উত্তেজনার মূল কারণ
এই পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট কাজ করছে। আগামী ১৩ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার কথা রয়েছে। এই রায় এবং একই দিনে আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই সারাদেশে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
