ক্রিকেট নিয়ে তর্কের জেরে মাদরাসাছাত্রকে গলা কেটে হত্যা, সহপাঠী আটক

 

ক্রিকেট নিয়ে তর্কের জেরে মাদরাসাছাত্রকে গলা কেটে হত্যা, সহপাঠী আটক

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে ক্রিকেট খেলা নিয়ে তর্কের জেরে এক মাদরাসাছাত্রকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত ছাত্রের নাম নাজিম উদ্দিন (১৩)। সে আল মাদরাসাতুল ইসলামিয়া মাখযানুল উলুমের ছাত্র ছিল। সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে অবস্থিত মাদরাসার দ্বিতীয় তলার শয়নকক্ষ থেকে তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত নাজিম উদ্দিন সোনাইমুড়ী উপজেলার চাষিরহাট ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের জাহানাবাদ গ্রামের বাসিন্দা এবং ২৬ পারা হেফজ শেষ করেছিল।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত সহপাঠী আবু সাইদকে (১৬) ছুরি সহ আটক করেছে পুলিশ।

জানা যায়, মাদরাসার ওই শয়নকক্ষে মোট ১৪ জন শিক্ষার্থী একসঙ্গে থাকত। রাত ৩টার দিকে চিৎকার শুনে কক্ষের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক আবু রায়হান আলো জ্বালিয়ে দেখেন যে সহপাঠী আবু সাইদ নাজিম উদ্দিনকে গলা কেটে হত্যা করেছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি মাদরাসার প্রধান মাওলানা মাসুম বিল্লাহকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত আবু সাইদকে আটক করে।

এ বিষয়ে মাদরাসার প্রধান মাওলানা মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি 'পেরেশানির' কথা বলে ফোন কেটে দেন এবং পরে আর ফোন রিসিভ করেননি।

স্থানীয় বাসিন্দা হারুন অর রশিদ গণমাধ্যমকে জানান, ক্রিকেট খেলা নিয়ে নাজিম উদ্দিনের সঙ্গে আবু সাইদের কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। সেই রেশ ধরে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে জবাই করা হয়েছে বলে তারা শুনেছেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সোনাইমুড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মনির হোসেন ঘটনাস্থল থেকে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন যে অভিযুক্ত আবু সাইদ তাদের হেফাজতে রয়েছে। নিহত নাজিম উদ্দিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

নবীনতর পূর্বতন